বামনি আর তুর্গা ফলস
বামনিতে অনেকটা সিঁড়ি নেমে আবার উঠতে হয়, দেখতে যতটা লাগে তার চেয়ে কষ্টের। তুর্গা সহজ। শুকনো মাসে দুটোরই জল কম, বৃষ্টির পর ভরা।
পুজো আর লম্বা ছুটির গাড়ি আগেই শেষ হয়ে যায়। তারিখটা এখনই বলে রাখুন।
ঘোরার গাইড
উত্তরে না গিয়ে পশ্চিমবঙ্গে সবচেয়ে বড় পাহাড়ের ট্রিপ এটাই: পুরুলিয়ার একটা মালভূমি, বামনি আর তুর্গা ফলস, আপার ড্যাম, মার্বেল লেক, আর রাস্তায় চড়িদার ছৌ মুখোশের কারিগর। কলকাতা থেকে প্রায় ৩৬৭ কিলোমিটার, তাই তিন দিন ধরুন। ফেব্রুয়ারিতে পলাশ শুধু রাস্তাটাকেই সার্থক করে দেয়।
ঘোরার গাইড
ঘোরার গাইড
বামনিতে অনেকটা সিঁড়ি নেমে আবার উঠতে হয়, দেখতে যতটা লাগে তার চেয়ে কষ্টের। তুর্গা সহজ। শুকনো মাসে দুটোরই জল কম, বৃষ্টির পর ভরা।
উপরে পাম্প স্টোরেজের বাঁধ আর জল ভরা পুরনো পাথর খাদান, জলের রং সবুজ। দুটোই অল্প সময়ের থামা, সকালে ভালো।
ছৌ মুখোশের কারিগরদের গ্রাম, কাজ দেখা যায় আর সোজা কিনতে পারেন। পুরো ট্রিপের সেরা এক ঘণ্টার একটা।
পাহাড়ের ওপারে শান্ত একটা জলাধার, কলকাতা থেকে ৩৬৬ কিলোমিটার, কয়েকটা হোমস্টে আছে। পুরুলিয়ার সবচেয়ে ফাঁকা অংশ চাইলে এখানে এক রাত জুড়ুন।
প্রথম দিন: সাড়ে ৫টায় বেরিয়ে বিকেলের মধ্যে অযোধ্যা হিলটপ, বিশ্রাম। দ্বিতীয় দিন: আপার ড্যাম, মার্বেল লেক, তুর্গা, বামনি, আর বিকেলের দিকে চড়িদা। তৃতীয় দিন: সকালে মুরগুমা, নয়তো সোজা ফেরা। দুই দিনে করতে গেলে ৪৮ ঘণ্টার ট্রিপে পনেরো ঘণ্টা গাড়ি চালানো ঢুকে যায়, আর জিজ্ঞেস করলে আমরা সেটাই বলি।
ঘোরার গাইড
ছোট কয়েকটা কথা, যার উপর নির্ভর করে দিনটা ভালো কাটবে না ক্লান্তিতে যাবে।
এই রাস্তায় হাতি চলে। অন্ধকারের আগেই সব গাড়ি চালানো শেষ করুন, আর রাস্তায় হাতির দল দেখে কখনও দাঁড়াবেন না।
বামনি ফলসে ফেরার চড়াইটা লম্বা। দলে কারও হাঁটু বা হার্টের সমস্যা থাকলে বাদ দিন।
হিলটপ আর মুরগুমায় ঘর কম। ফেব্রুয়ারির জন্য তিন-চার সপ্তাহ আগে বুক করুন।
এখানে দূরত্ব আর সময় রুট ডেটা দেখে মিলিয়ে নেওয়া, তারপর সত্যিকারের যানজট ধরে একটু বাড়িয়ে লেখা। সময়, ফেরির সময় আর ঢোকার নিয়ম সিজন অনুযায়ী বদলায়, তাই যাওয়ার আগের দিন একবার জিজ্ঞেস করুন, সেই সপ্তাহে রাস্তা কেমন আমরা বলে দেব।
ঘোরার গাইড
আমাদের তালিকায় এই গাইডের সঙ্গে মেলে এমন ট্রিপ। গাড়ি বাড়ির সামনে থেকে ছাড়ে।
ঘোরার গাইড
এক দিনের ট্রিপ ভালো হয় যদি গাড়ি সকালে আপনার পাড়া থেকেই বেরোয়।
প্রশ্ন
প্রায় ৩৬৭ কিলোমিটার, থামা-থামা ধরে সাত থেকে আট ঘণ্টা। ব্যারাকপুর থেকে প্রায় ৩৩৩ কিলোমিটার, শহর এড়ানোয় একটু কম।
দুটোই হয়। অনেক পরিবার পুরুলিয়া বা বারাভূম পর্যন্ত ট্রেনে যায়, আমরা পাহাড়ের জন্য ওখানে গাড়ি রাখি। চার জন বা বেশি হলে আর মালপত্র থাকলে বাড়ির সামনে থেকে গাড়িই সহজ পড়ে।
তবুও ভাবছেন? তারিখটা পাঠিয়ে দিন। না পারলে সোজা বলে দেব
ঘোরার গাইড
গাড়ি লাগবে
তারিখ আর কত জন যাচ্ছেন লিখে পাঠান। কোন গাড়িতে হবে, ক’টায় বেরোনো ভালো আর পুরো দাম লিখে জানিয়ে দিই, তারপর আপনি ঠিক করবেন।