খনা মিহিরের ঢিপি
প্রধান ঢিবি, উপরে বেরিয়ে থাকা ইটের গঠন আর সঙ্গে খনা-মিহিরের স্থানীয় গল্প। কুড়ি মিনিটের হাঁটা, যাওয়ার আগে পড়ে গেলে অনেক বেশি ভালো লাগে।
পুজো আর লম্বা ছুটির গাড়ি আগেই শেষ হয়ে যায়। তারিখটা এখনই বলে রাখুন।
ঘোরার গাইড
বসিরহাটের রাস্তায় বেড়াচাঁপার কাছে, মাটির কয়েকটা ঢিবি আর ধানখেতের নিচে দুই হাজার বছরের বেশি পুরনো এক বসতি, যার স্তর মৌর্য আমল পর্যন্ত যায়। আজ যা দেখবেন সেটা স্মৃতিসৌধ নয়: ঢিবি, ইটের সারি, কাছে একটা ছোট সংগ্রহশালা আর চারপাশের মাঠ। দৃশ্যের জন্য নয়, ভাবনাটার জন্য যান। ব্যারাকপুর থেকে মাত্র ৩৭ কিলোমিটার, কলকাতার চেয়ে কাছে।
ঘোরার গাইড
ঘোরার গাইড
প্রধান ঢিবি, উপরে বেরিয়ে থাকা ইটের গঠন আর সঙ্গে খনা-মিহিরের স্থানীয় গল্প। কুড়ি মিনিটের হাঁটা, যাওয়ার আগে পড়ে গেলে অনেক বেশি ভালো লাগে।
এলাকায় পাওয়া টেরাকোটার সিল, ফলক আর মাটির পাত্রের ছোট সংগ্রহ। তারিখ ঠিক করার আগে খোলার দিন জেনে নিতে বলুন, কারণ রোজ খোলা থাকে না।
চলতি একটা মফস্বল শহর, বাজার আর সাধারণ খাবারের দোকান। অনেকে একই রাস্তায় ২৫ কিলোমিটার দূরের টাকি জুড়ে নিয়ে পুরো দিনটা করে ফেলেন।
ব্যারাকপুর থেকে বারাসতের রাস্তা ধরে তারপর বসিরহাট হাইওয়ে হয়ে বেড়াচাঁপা, প্রায় ৩৭ কিলোমিটার। মধ্য কলকাতা থেকে বারাসত হয়ে প্রায় ৪৫ কিলোমিটার। জায়গাটা গ্রামের জমি জুড়ে ছড়ানো, তাই ঢিবি, সংগ্রহশালা আর বাজারের মধ্যে ঘুরতে গাড়ি লাগে। ভরসা করার মতো সাইনবোর্ড নেই, তাই ফোনের ম্যাপ খোলা রাখুন।
ঘোরার গাইড
ছোট কয়েকটা কথা, যার উপর নির্ভর করে দিনটা ভালো কাটবে না ক্লান্তিতে যাবে।
যাওয়ার আগে জায়গাটা নিয়ে এক পাতা পড়ে নিন। না হলে ঢিবি শুধু ঢিবিই লাগবে।
ঘেরা নেই, টিকিট নেই, তাই মাটি থেকে কিছু তুলে নেবেন না। যা পড়ে আছে সবই সংরক্ষিত।
পুরো দিনের জন্য টাকির সঙ্গে জুড়ে নিন, বা আমাদের বেল্ট থেকে বেরোলে ব্যান্ডেল-চন্দননগরের দিকের সঙ্গে।
এখানে দূরত্ব আর সময় রুট ডেটা দেখে মিলিয়ে নেওয়া, তারপর সত্যিকারের যানজট ধরে একটু বাড়িয়ে লেখা। সময়, ফেরির সময় আর ঢোকার নিয়ম সিজন অনুযায়ী বদলায়, তাই যাওয়ার আগের দিন একবার জিজ্ঞেস করুন, সেই সপ্তাহে রাস্তা কেমন আমরা বলে দেব।
ঘোরার গাইড
আমাদের তালিকায় এই গাইডের সঙ্গে মেলে এমন ট্রিপ। গাড়ি বাড়ির সামনে থেকে ছাড়ে।
ঘোরার গাইড
এক দিনের ট্রিপ ভালো হয় যদি গাড়ি সকালে আপনার পাড়া থেকেই বেরোয়।
প্রশ্ন
সত্যি বলতে, মাটির উপরে বেশি কিছু নেই: খনা মিহিরের ঢিপি, কিছু বেরিয়ে থাকা ইটের কাজ, সংগ্রহশালার জিনিস আর মাঠ। ইতিহাস ভালো লাগলে এটা অসাধারণ। দৃশ্য বা স্মৃতিসৌধ চাইলে হতাশ হবেন, আর সেটা আগেই বলে দেওয়া ভালো।
বারাসত হয়ে রাস্তায় প্রায় ৩৭ কিলোমিটার, এক থেকে দেড় ঘণ্টা। মধ্য কলকাতা থেকে প্রায় ৪৫ কিলোমিটার।
তবুও ভাবছেন? তারিখটা পাঠিয়ে দিন। না পারলে সোজা বলে দেব
ঘোরার গাইড
গাড়ি লাগবে
তারিখ আর কত জন যাচ্ছেন লিখে পাঠান। কোন গাড়িতে হবে, ক’টায় বেরোনো ভালো আর পুরো দাম লিখে জানিয়ে দিই, তারপর আপনি ঠিক করবেন।