চিন্তামণি কর পক্ষী অভয়ারণ্য (নরেন্দ্রপুর)
সবচেয়ে কাছের সবুজ জায়গা, আসলে শহরের ভিতরেই। ছায়ায় হাঁটার রাস্তা, শীতে অনেক পাখি, অল্প টিকিট। রান্না করা যায় না, তাই খাবার বেঁধে নিয়ে যান।
পুজো আর লম্বা ছুটির গাড়ি আগেই শেষ হয়ে যায়। তারিখটা এখনই বলে রাখুন।
ঘোরার গাইড
পিকনিকে চারটে জিনিস দরকার: ফাঁকা মাঠ, চোখের সামনে জল, রান্না বা খাবার গরম করার জায়গা, আর বাস রাখার জায়গা। এই সাতটাতেই চারটেই আছে, আর সবই ৯০ কিলোমিটারের মধ্যে, তাই দল রাতেই ফিরে আসে।
ঘোরার গাইড
ঘোরার গাইড
দূরত্ব মধ্য কলকাতা থেকে রাস্তার দূরত্ব, রুট ডেটা দেখে মিলিয়ে নেওয়া।
সবচেয়ে কাছের সবুজ জায়গা, আসলে শহরের ভিতরেই। ছায়ায় হাঁটার রাস্তা, শীতে অনেক পাখি, অল্প টিকিট। রান্না করা যায় না, তাই খাবার বেঁধে নিয়ে যান।
যে দল পিকনিক চায় কিন্তু খাটতে চায় না: সারানো এই বাড়িটা পুরো খাওয়া দেয়, আর সারা দিনের জন্য উঠোনগুলো পাওয়া যায়। বুকিং লাগে, আর চল্লিশ জনের ভিড়ের জন্য এটা নয়।
কলকাতার পিকনিকের মাঠ। ৫৮ গেট লকগেটের পাশে বড় ফাঁকা জায়গা, হরিণ পার্ক, বাস রাখার জায়গা আর রান্নার জায়গা। জানুয়ারির রবিবারে পঞ্চাশটা দল থাকবে, তাই জায়গা ধরতে কাউকে আগে পাঠান।
সুন্দরবনের রাস্তায় নদীর ধারে সবুজ একটা জায়গা, ট্যুরিস্ট লজ, নৌকা আর অনেক ছায়া। গড়চুমুকের চেয়ে শান্ত, দলে ছোট বাচ্চা থাকলে বেশি ভালো।
শরৎচন্দ্রের বাড়ি, রূপনারায়ণের পাড় আর সর্ষে খেত, ভিড় প্রায় নেই। সাজানো পিকনিকের মাঠ নেই, তাই আট-দশ জনের দলের জন্য ভালো, চল্লিশ জনের নয়।
ইছামতীর পাড়, ঘণ্টা হিসেবে নৌকা, আর শীতে নদীর ধারে সারি সারি পিকনিকের দল। ব্যারাকপুর থেকে মাত্র ৬৮ কিলোমিটার, তাই আমাদের দিকের দলের জন্য এই তালিকায় সবচেয়ে ছোট বাসের রাস্তা।
তিনটে নদী, চওড়া ফাঁকা পাড় আর একটা ট্যুরিস্ট লজ, বুক করলে দলকে খাওয়াতে পারে। তালিকায় সবচেয়ে দূরে, তাই বাস সাড়ে ৬টায় ছাড়া উচিত।
রান্নার বাসন নিয়ে ছয় জন পর্যন্ত এমইউভি। নয় থেকে বারো জন হলে টেম্পো ট্রাভেলার। কুড়ি জনের বেশি হলে মিনি বাস, আর স্কুল বা অফিসের চল্লিশ জনের পিকনিকে বড় বাস, ভোরের আগে ছাড়লে দুজন ড্রাইভার। কত জন আর গ্যাস সিলিন্ডার-বাসন নিচ্ছেন কি না বলুন, কারণ ওতে সিটের হিসেব নয়, মালপত্রের জায়গার হিসেব বদলায়।
ডিসেম্বরের শেষ থেকে জানুয়ারির শেষ পর্যন্ত গড়চুমুক, গাদিয়াড়া আর টাকির পিকনিকের জায়গা ভরে যায়, কয়েকটায় স্থানীয় পঞ্চায়েত বা লজের মাধ্যমে বুকিং হয়। ওটা আগে সেরে নিন, তারপর গাড়ি ঠিক করুন। ওই সিজনে চার দিনের নোটিসে আমরা বাস দিতে পারি, কিন্তু জানুয়ারির রবিবারে মাঠ কেউ বানিয়ে দিতে পারে না।
ঘোরার গাইড
ছোট কয়েকটা কথা, যার উপর নির্ভর করে দিনটা ভালো কাটবে না ক্লান্তিতে যাবে।
পুরো দলের খাওয়ার জল সঙ্গে নিন। এই মাঠগুলোর কোথাওই ভরসা করার মতো কল নেই।
পক্ষী অভয়ারণ্যে আগুন বা রান্না চলে না, কয়েকটা নদীর ঘাটেও নিয়ম আছে। সিলিন্ডার নেওয়ার আগে জিজ্ঞেস করুন।
নিজেদের আবর্জনা ফিরিয়ে আনুন। গড়চুমুক আর টাকিতে ফেলে যাওয়া নোংরার জন্যই নিয়ম দিন দিন কড়া হচ্ছে।
এখানে দূরত্ব আর সময় রুট ডেটা দেখে মিলিয়ে নেওয়া, তারপর সত্যিকারের যানজট ধরে একটু বাড়িয়ে লেখা। সময়, ফেরির সময় আর ঢোকার নিয়ম সিজন অনুযায়ী বদলায়, তাই যাওয়ার আগের দিন একবার জিজ্ঞেস করুন, সেই সপ্তাহে রাস্তা কেমন আমরা বলে দেব।
ঘোরার গাইড
আমাদের তালিকায় এই গাইডের সঙ্গে মেলে এমন ট্রিপ। গাড়ি বাড়ির সামনে থেকে ছাড়ে।
ঘোরার গাইড
এক দিনের ট্রিপ ভালো হয় যদি গাড়ি সকালে আপনার পাড়া থেকেই বেরোয়।
প্রশ্ন
ব্যারাকপুর থেকে ৬৮ কিলোমিটারের টাকি, নদী আর দলের জায়গা মিলিয়ে সবচেয়ে ছোট রাস্তা। আমাদের দিক থেকে ৬৮ কিলোমিটারের গড়চুমুকে মাঠ সবচেয়ে বড়। শহরের ভিতরে গান্ধী ঘাট আর মঙ্গল পান্ডে পার্কের দিকটা গাড়ি ছাড়াই আধবেলার জন্য ব্যবহার হয়।
হ্যাঁ। যাওয়ার পথে দুই-তিনটে জায়গা থেকে তোলা আমাদের কাছে সাধারণ ব্যাপার, যেমন ব্যারাকপুর, তারপর সোদপুর, তারপর ডানলপ। ক্রম অনুযায়ী তালিকা দিন, রাস্তাটা এমনভাবে সাজাব যাতে প্রথম জায়গায় কেউ এক ঘণ্টা দাঁড়িয়ে না থাকে।
তবুও ভাবছেন? তারিখটা পাঠিয়ে দিন। না পারলে সোজা বলে দেব
ঘোরার গাইড
গাড়ি লাগবে
তারিখ আর কত জন যাচ্ছেন লিখে পাঠান। কোন গাড়িতে হবে, ক’টায় বেরোনো ভালো আর পুরো দাম লিখে জানিয়ে দিই, তারপর আপনি ঠিক করবেন।